Hits: 0

রানি বিলকিস -২

কুরআনে বর্ণিত এক কিংবদন্তি নারী

0

ঘুম ভাঙ্গল বিলকিসের। তিনি একখানা মোহরকৃত পত্র তার বুকের উপর পড়ে থাকতে দেখতে পেলেন। বিষ্মিত হলেন তিনি। পত্র এল কোথা থেকে? তার অনুমতি ব্যতিত কারও তো কক্ষে প্রবেশ করার কথা নয়! তিনি উঠে বসে পত্রটি হাতে নিয়ে উল্টে পাল্টে দেখলেন। অতঃপর কক্ষের চারিদিকে দৃষ্টিপাত করলেন। এ সময় জানালার উপর বসে থাকা হুদ হুদের প্রতি দৃষ্টি পড়ল তার। পাখীটি তার দিকেই তাকিয়ে রয়েছে। এসময়ই গবাক্ষ পথে উড়ে চলে গেল সেটি।

রানী বিলকিস মোহর খুলে পত্র পাঠে মনোনিবেশ করলেন। অতঃপর পাঠ শেষে তৎক্ষণাৎ এক জরুরী পরামর্শে তার পরিষদবর্গকে ডাকলেন তিনি। পরামর্শ সভায় তিনি তাদেরকে উদ্দেশ্য করে বললেন, ‘পরিষদবর্গ! আমাকে এক সম্মানিত পত্র দেয়া হয়েছে,  সোলাইমান(আঃ) এর কাছ থেকে। আর তা এই-

পরম করুণাময়, পরম দয়াময় আল্লাহর নামে-
‘অহংকার করে আমাকে অমান্য কোরও না, আনুগত্য স্বীকার করে আমার কাছে উপস্থিত হও।

পাঠ শেষে ক্ষণকাল নিরবতার পর বিলকিস বললেন, ‘পরিষদবর্গ! আমাদের এই কঠিন সমস্যায় তোমাদের পরামর্শ দাও; আমি যা করি তা তো তোমাদের উপস্থিতিতেই করি।’

তারা বলল, ‘আমরা তো শক্তিশালী ও কঠোর যোদ্ধা; তবে সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা আপনার, কি নির্দেশ দেবেন তা আপনিই ভেবে দেখুন।’

বিলকিস বললেন, ‘রাজা বাদশারা যখন কোন জনপদে প্রবেশ করেন, তখন তাকে বিপর্যস্ত করে দেন ও সেখানকার মর্যাদাবান ব্যক্তিদেরকে অপদস্থ করেন; ইনিও তাই-ই করবেন। আমি তার কাছে উপঢৌকন পাঠাচ্ছি। দেখি দূতেরা কি উত্তর আনে।’

সভাষদরা তার এই প্রস্তাবকে উত্তম বিবেচনা করল। সুতরাং তারা বলল, ‘তথাস্ত।’

এ সম্পর্কিত কোরআনের আয়াতসমূহ-
(সাবার রানী বিলকিস) বলল, ‘পরিষদবর্গ! আমাকে এক সম্মানিত পত্র দেয়া হয়েছে, সোলাইমান(আঃ)এর কাছ থেকে। আর তা এই- পরম করুণাময়, পরম দয়াময় আল্লাহর নামে- অহংকার করে আমাকে অমান্য কোরও না, আনুগত্য স্বীকার করে আমার কাছে উপস্থিত হও।’(বিলকিস) বলল, ‘পরিষদবর্গ! আমার এ সমস্যায় তোমাদের পরামর্শ দাও; আমি যা করি তা তো তোমাদের উপস্থিতিতেই করি।’ ওরা বলল, ‘আমরা তো শক্তিশালী ও কঠোর যোদ্ধা; তবে সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষমতা আপনার, কি নির্দেশ দেবেন তা আপনিই দেখুন।’ বিলকিস বলল, ‘রাজা বাদশারা যখন কোন জনপদে প্রবেশ করে তখন তাকে বিপর্যস্ত করে দেয় ও সেখানকার মর্যাদাবান ব্যক্তিদেরকে অপদস্থ করে; এরাও তাই-ই করবে। আমি তার কাছে উপঢৌকন পাঠাচ্ছি। দেখি দূতেরা কি উত্তর আনে।’ (২৭:২৯-৩৫)

প্রাচীন জেরুজালেম নগরী। রানী বিলকিসের দূত নিজেদের মূল্যবান উপঢৌকনাদি সম্পর্কে গর্বিত ছিল। যখন তারা প্রাসাদ দ্বারে পৌঁছিল, তখন তারা দেখতে পেল প্রাসাদ থেকে নেমে আসা পথটি সম্পূর্ণ স্বর্ণ এবং রৌপ্যের স্কয়ার ব্লকসমূহ দ্বারা সুসজ্জ্বিত করে নির্মিত। এই পথের দু‘ধারে সাঁরিবদ্ধ ভাবে নিশ্চল দাঁড়িয়ে অলস সময় কাটাচ্ছে বিভিন্ন ধরণের পশু, যাদের কিছু মলমূত্র ত্যাগ করেছে ঐ সুসজ্জ্বিত পথের উপর। এসব দেখে তারা যেমন বিষ্মিত হল, তেমনি নিজেদের আনীত উপঢৌকনাদিকে নগণ্য মনে করে লজ্জিতও হয়ে পড়ল।

দূতেরা দরবারে প্রবেশ করল। সোলাইমান(আঃ) তাদেরকে হাসিমুখে গ্রহণ করলেন। অতঃপর তারা তাদের উপঢৌকনাদি প্রদান করল। এই উপঢৌকনাদির মধ্যে ছিল কয়েক তালন্ত স্বর্ণ, কিছু হীরা। আর ছিল একশত গোলাম ও একশত দাসী। এই সকল দাস-দাসীর নারীদেরকে পুরুষ বেশে এবং পুরুষদেরকে নারী বেশে সজ্জ্বিত করে আনয়ন করা হয়েছিল।

সোলাইমান(আঃ) উপঢৌকনাদি দেখে অসন্তুষ্ট হয়ে দূতদেরকে বললেন, ‘তোমরা কি আমাকে ধন-সম্পদ দিয়ে সাহায্য করতে চাও? আল্লাহ তোমাদেরকে যা দিয়েছেন তার চেয়ে উত্তম জিনিস দিয়েছেন আমাকে, অথচ তোমরা তোমাদের উপঢৌকন দিয়ে উৎফুল্ল বোধ করছ। তোমরা ফিরে যাও, আমি অবশ্যই ওদের বিরুদ্ধে এমন এক সৈন্যবাহিনী নিয়ে উপস্থিত হব যা রুখবার শক্তি ওদের নেই। আমি ওদেরকে সেখান থেকে অপমান করে বের করে দেব ও তাদেরকে দলিত করব।’
সোলাইমান(আঃ) এর উত্তর নিয়ে দূতেরা ফিরে গেল।

এ সম্পর্কিত কোরআনের আয়াতসমূহ-
দূত সোলাইমানের কাছে এলে সোলাইমান বলল, ‘তোমরা কি আমাকে ধন-সম্পদ দিয়ে সাহায্য করতে চাও? আল্লাহ তোমাদেরকে যা দিয়েছেন তার চেয়ে উত্তম জিনিস দিয়েছেন আমাকে, অথচ তোমরা তোমাদের উপঢৌকন দিয়ে উৎফুল্লবোধ করছ। তোমরা ওদের কাছে ফিরে যাও, আমি অবশ্যই ওদের বিরুদ্ধে এমন এক সৈন্যবাহিনী নিয়ে উপস্থিত হব যা রুখবার শক্তি ওদের নেই। আমি ওদেরকে সেখান থেকে অপমান করে বের করে দেব ও ওদেরকে দলিত করব।’ (২৭:৩৬-৩৭)

সাবার রাজদরবার। বাদশা সোলাইমান(আঃ) উপঢৌকনাদি ফেরৎ পাঠিয়েছেন। এ কারণে রানী বিলকিসের এই জরুরী অধিবেশন আহবান। বিলকিস দূতদের সকল কথা মনোযোগ সহকারে শুনলেন। অতঃপর তিনি সভাষদদের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘আমার পূর্ব হতেই ধারণা হয়েছিল তিনি কোন সাধারণ বাদশাহ নন।’

রানী বিলকিস শীঘ্রই সোলাইমানের সঙ্গে দেখা করার প্রস্তুতি গ্রহণ করলেন এবং একসময় জেরুজালেমের উদ্দেশ্যে যাত্রা করলেন। তার সঙ্গে ছিল বাদশা সোলাইমানের জন্যে উপহার স্বরূপ এক‘শ পঞ্চাশ তালন্ত স্বর্ণ, কিছু দু:ষ্প্রাপ্য মণি এবং প্রচুর পরিমানে সুগন্ধি।

রানী বিলকিসের উট বহর জেরুজালেমের উপকন্ঠে এসে পৌঁছিল। তার আগমনের কথা জানার পর তার বিশাল সিংহাসনের কথা মনে পড়ল সোলাইমানের। তিনি তখন তার পরিষদবর্গের উদ্দেশ্যে বললেন, ‘হে আমার পরিষদবর্গ! তারা আমার কাছে আত্মসমর্পন করতে আসার পূর্বে তোমাদের মধ্যে কে তার সিংহাসন আমাকে এনে দেবে?’

এক শক্তিশালী জ্বীন উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘আপনি আপনার স্থান থেকে উঠবার আগেই আমি তা এনে দেব। এ ব্যাপারে আমি এমনই শক্তি রাখি। আর আমাকে বিশ্বাস করতে পারেন।’

অপর এক জ্বিন যার কিতাবের জ্ঞান ছিল উঠে দাঁড়িয়ে বলল, ‘আপনি চোখের পলক ফেলার আগেই আমি তা এনে দেব।’

সে মূহুর্তের মধ্যে রানী বিলকিসের সিংহাসন সোলাইমান(আঃ) সামনে উপস্থিত করল। সোলাইমান যখন তা তার সামনে রাখা দেখলেন তখন তিনি বললেন, ‘এ আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ যেন তিনি আমাকে পরীক্ষা করতে পারেন, আমি কৃতজ্ঞ না অকৃতজ্ঞ। যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সে তা নিজের জন্যে করে, আর যে অকৃতজ্ঞ সে জেনে রাখুক যে, আমার প্রতিপালকের অভাব নেই, তিনি মহানুভব।’

একাগ্রচিত্তে সোলাইমান(আঃ) সিংহাসনটা দেখতে লাগলেন। অতঃপর উক্ত জ্বিনকে বললেন, ‘তার সিংহাসনের আকৃতি বদলে দাও; দেখি সে ঠিক ধরতে পারে- নাকি ভুল করে।’

এ সম্পর্কিত কোরআনের আয়াতসমূহ-
সোলাইমান আরও বলল, ‘হে আমার পরিষদবর্গ! তারা আমার কাছে আত্মসমর্পন করতে আমার পূর্বে তোমাদের মধ্যে কে তার সিংহাসন আমাকে এনে দেবে?’
এক শক্তিশালী জ্বীন বলল, ‘আপনি আপনার স্থান থেকে ওঠার আগেই আমি তা এনে দেব। এ ব্যাপারে আমি এমনই শক্তি রাখি। আর আমাকে বিশ্বাস করতে পারেন।’
কিতাবের জ্ঞান যার ছিল সে বলল, ‘আপনি চোখের পলক ফেলার আগেই আমি তা এনে দেব।’ যখন তা সামনে রাখা দেখল তখন (সোলাইমান) বলল, ‘এ আমার প্রতিপালকের অনুগ্রহ যেন তিনি আমাকে পরীক্ষা করতে পারেন, আমি কৃতজ্ঞ না অকৃতজ্ঞ। যে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে সে তা নিজের জন্যে করে, আর যে অকৃতজ্ঞ সে জেনে রাখুক যে, আমার প্রতিপালকের অভাব নেই, তিনি মহানুভব।’(২৭:৩৮-৪১)

রানী বিলকিস রাজ দরবারে প্রবেশ করলেন। তাকে সাদর অভ্যর্থণা শেষে যখন বসতে বলা হল, তিনি দেখতে পেলেন আসনের জন্যে সম্মুখে তারই সিংহাসনটি রক্ষিত। তিনি ভীষণ অবাক হলেন। তার আগমনের পূর্বেই কিভাবে এটা এখানে উপস্থিত করা হল? তিনি নিশ্চিত আলৌকিক শক্তির মাধ্যমে এটা করা হয়েছে। কেননা এটা সাধারণ নিয়ম বহির্ভূত, বুদ্ধি এখানে পরাভূত। এই অসাধ্য সাধন কেবলমাত্র একজন প্রবল ক্ষমতাশালী, ঐশ্বরিক শক্তির অধিকারীর পক্ষেই সম্ভব। বিলকিস আত্মসমর্পন করলেন। আত্মসমর্পন করলেন সর্বক্ষমতার অধিকারী এক আল্লাহর কাছে। এতদিন তিনি ছিলেন মূর্ত্তি পূজক, অবিশ্বাসী সম্প্রদায়ের একজন। আল্লাহর পরিবর্ত্তে তিনি যার উপাসনা করতেন তা-ই এতদিন তাকে সত্য থেকে সরিয়ে রেখেছিল।

রানী বিলকিস আরও অবাক হয়ে লক্ষ্য করলেন যে, তার সিংহাসনে সামান্য পরিবর্তন করা হয়েছে। তাকে একাগ্রচিত্তে সিংহাসনের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে বাদশা সোলাইমান(আঃ) জিজ্ঞেস করলেন, ‘আপনার সিংহাসন কি এ রকম?’
প্রশ্ন শুনে বিলকিস বুঝতে পারলেন তার বিবেক ও বুদ্ধির পরীক্ষা করতে চাইছেন সোলাইমান। সুতরাং তিনি বুদ্ধিমত্তার সাথেই উত্তর দিলেন, বললেন, ‘এ তো এরকমই। আমরা আগেই সবকিছু জেনেছি ও আত্মসমর্পন করেছি।’

বিলকিস তার এই জবাব দ্বারা দাবী করলেন না যে এটা তার সিংহাসন। কেননা তার সিংহাসন ও এই সিংহাসনের মধ্যে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। আবার এটাও বললেন না যে এটা তার সিংহাসন নয়। কেননা প্রকৃতপক্ষে এটা তো তারই সিংহাসন।

এ সম্পর্কিত কোরআনের আয়াতসমূহ-
(বিলকিস) যখন পৌঁছিল তখন তাকে জিজ্ঞেস করা হল, ‘তোমার সিংহাসন কি এ রকম?’
সে বলল, ‘এ তো এ রকমই। আমরা আগেই সবকিছু জেনেছি ও আত্মসমর্পন করেছি।’
আল্লাহর পরিবর্তে সে যার পূজা করত তা-ই তাকে সত্য থেকে সরিয়ে রেখেছিল, সে বিলকিস ছিল অবিশ্বাসী সম্প্রদায়ের একজন। (২৭: ৪২-৪৩)

রানী বিলকিস ও সোলাইমান।বাদশার নিজস্ব প্রাসাদে আমন্ত্রণ জানান হল রানী বিলকিসকে। বিশাল এই প্রাসাদটি স্ফটিকের ছিল। ভিতরে প্রবেশের সময় বিলকিস দেখলেন স্বচ্ছ জলাশয়ের উপর দাঁড়িয়ে রয়েছে প্রাসাদটি। তিনি অবাক বিষ্ময়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন। অতঃপর পানির মধ্যে দিয়ে কিভাবে সম্মুখে অগ্রসর হবেন তা ভাবতে লাগলেন।

রানী বিলকিসের দাঁড়িয়ে পড়াতে সঙ্গী সভাষদরাও দাঁড়িয়ে পড়েছিল। এসময় দূর থেকে সোলাইমান(আঃ) বললেন, ‘এই প্রাসাদে আপনার প্রবেশ স্বাগতম।’ -তখন বিলকিস প্রাসাদে প্রবেশ করতে তার পরিধেয় ভেজার আশঙ্কায় তা হাঁটু পর্য্যন্ত উঁচু করে ধরলেন। তারপর ধীরে ধীরে পা বাড়িয়ে দিলেন পানির মধ্যে। কিন্তু এ-কি! পানি স্পর্শ করল না পা। তার কার্যকলাপ দেখে সোলাইমান(আঃ) মুচকি হেসে বললেন, ‘এ তো স্ফটিকের প্রাসাদ।’

রানী বিলকিস তার মনে যেসব প্রশ্নের উদয় হয়েছিল তার সবই সোলাইমান(আঃ) নিকট ব্যক্ত করলেন। আর তিনি তার সব প্রশ্নের উত্তর অত্যন্ত বিজ্ঞতার সাথে দিলেন। আর বিলকিস তার জ্ঞান, তার নির্মিত গৃহ এবং তার সাজসজ্জা, তার পরিবেশিত খাদ্যদ্রব্য, তার সভাষদদের উপবেশন, দন্ডায়মান পরিচারকদের শ্রেণী ও তাদের পরিচ্ছদ, সর্বোপরি এবাদতখানার সৌন্দর্য্যে বিমোহিত ও হতবাক হয়ে পড়লেন। তিনি বললেন, ‘আমি আপনার যে খ্যাতি শুনেছিলাম তা থেকেও আপনার জ্ঞান ও মঙ্গল অধিক। ধন্য তারা, যারা আপনার সম্মুখে দাঁড়ায় ও আপনার জ্ঞানের উক্তি শোনে।’

সর্বক্ষমতার অধিকারী স্রষ্টার কাছে বিলকিস আত্মসমর্পণ করলেন। আর মনে মনে বললেন, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি তো নিজের উপর জুলুম করেছিলাম।’

এ সম্পর্কিত কোরআনের আয়াত-
তাকে বলা হল, ‘এই প্রসাদে প্রবেশ কর।’
যখন সে ওটার দিকে তাকাল তখন তার মনে হল এ এক স্বচ্ছ জলাশয় এবং সে তার কাপড় হাঁটু পর্য্যন্ত টেনে তুলল।
সোলাইমান বলল, ‘এ তো স্ফটিকের প্রাসাদ।’
(বিলকিস) বলল, ‘হে আমার প্রতিপালক! আমি তো নিজের ওপর জুলুম করেছিলাম। আমি সোলাইমানের সাথে বিশ্বজগতের প্রতিপালকের কাছে আত্মসমর্পন করছি।’(২৭:৪৪)

রানি বিলকিস ও তাঁর সভাসদরা ইসলাম গ্রহণ করেন। প্রসিদ্ধ মতে তাঁদের বিয়ে হয়। রানি বিলকিস হজরত সুলাইমান (আ.)-এর সন্তানের মাও হন। রানি বিলকিসের সন্তান রিহাম বিন সুলাইমানকে হত্যা করার পর শোকে আক্রান্ত হয়ে তিনিও মৃত্যুবরণ করেন।

Hits: 0

Comments
Loading...