ব্লগার ভাই- বোনেরা সবাইকে ঈদ মুবারাক :-)

0 ৪১

EID-2014-HD-Images
মুসলমানের দ্বিতীয় বৃহত্তর আনন্দের উৎসব ঈদুল আযহা। তবে আমরা মুসলমানরা অনেকেই এই ঈদের উদ্দেশ্য, গুরুত্ব, কিংবা জবাই করা পশুর বৈশিষ্ট (কেমন হওয়া উচিত), কিংবা কুরবানীর করার নিয়ম জানি না। তাই সবার সুবিধার্থে- এখানে আলোচিত হলো-
কুরবানীর উদ্দেশ্যঃ
১/ আল্লাহ সন্তুষ্টি লাভ।
২/ হযরত ইবরাহীম আ’লাইহিস সালাম এর সুন্নাতকে জীবিত রাখা।
৩/ পরিবার-পরিজন ও গরিব-মিসকীনকে আনন্দ দান করা।

কুরবানীর গুরুত্বঃ
কুরবানী করা সুন্নত। তবে কেউ কেউ বলেছেন সুন্নতে মুয়াক্কাদা।
আবু হুরাইরা রাযিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন- “যে ব্যক্তি সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও কুরবানী করে না, সে যেনো আমাদের ঈদের মাঠের কাছেও না আসে। (ইবনু মাজাহ, হাদিস নং-৩১২৩)

কুরবানী পশুর গুণাবলীঃ
রাসূলুল্লাহ সাঃ বলেন-“তোমরা দুধে দাঁত ভেঙ্গে নতুন দাঁত ওঠা (মুসিন্নাহ) পশু ব্যতিত জবেহ করো না। তবে কষ্টকর হলে এক বছর পূর্ণকারী ভেড়া (দুম্বা বা ছাগল) কুরবানী করতে পারো” (মুসলিম, মিশকাত, হাদিস নং- ১৪৫৫)
মুসিন্নাহ’ পশু ষষ্ঠ বছরে পদার্পণকারী উট বা তৃতীয় বছরে পদার্পণকারী গরু বা ছাগল-ভেড়া-দুম্বাকে বলা হয়। কেননা, এ বয়সে সাধারণত এসব পশুর দুধে দাঁত ভেঙ্গে নতুন দাঁত উঠে থাকে। তবে অনেক পশুর বয়স বেশি ও হৃষ্টপুষ্ট হওয়া সত্ত্বেও সঠিক সময়ে দাঁত ওঠে না। এসব পশু দ্বারা কুরবানী করা ইনশাআল্লা কোনো দোষের হবে না।
পশু সুঠাম, সুন্দর ও নিখুঁত হওয়া চাই। স্পষ্ট খোঁড়া, কানা, রোগা এবং অর্ধেক কান কাঁটা বা ছিদ্র করা ও অর্ধেক শিং ভাঙ্গা জন্তুর দ্বারা কুরবানী সিদ্ধ নয়- (ইবনু মাজাহ হাদিস নং- ৩১৪২,৩১৪৫)

কুরবানী মোট কয়দিনঃ
আইয়্যামে তাশরিকের দিনগুলো জবেহের দিন। অর্থাৎ, কুরবানী হবে ১০,১১,১২,১৩ জিলহাজ (ঈদের দিন ও তার পরের ৩ দিন) পর্যন্ত। মোট ৪ দিন।
কুরবানী করার নিয়মঃ
কুরবানীর পশুর মাথা দক্ষিণ দিকে রেখে বাম কাতে ফেলতে হবে। তারপর কুরবানীদাতা ধারালো ছুরি নিয়ে ক্বিবলামুখী হয়ে দুয়া পড়ে নিজ হাতে খুব তাড়াতাড়ি জবেহ করবেন যেনো পশুর কষ্ট কম হয়।
আপনার সকলের আত্মত্যাগ আল্লাহ কবুল করন- এই কামনা করি…ঈদ মুবারাক।

Hits: 2

Comments
Loading...