Hits: 3

রমজানে আল্লাহর রহমত

0

১.
আমার রুমমেট বড় ভাইটি খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে অনেক বেশী সেন্সেটিভ।তিনবেলার খাবার একটু এদিক-সেদিন করে খেলে অসুস্হ হয়ে যান।৬ ঘন্টাও ভালো করে না খেয়ে থাকতে পারেননা।
কিন্তু এই রমজান মাসে ১৫ ঘন্টা উপোস থেকে রোজা রেখে চলেছেন।জিজ্ঞেস করলাম-ভাই,এটা কিভাবে সম্ভব?আপনি খাবার এদিক-সেদিক হয়ে গেলে অসুস্হ হয়ে যান?কিন্তু এখনো কিচ্ছু হলোনা।
-আমিও জানিনা,এটা কিভাবে হচ্ছে!
বিকালে আরেক রুমমেটকে বললাম-শামছুল ভাই তো সবগুলো রোজাই তো রেখে দিচ্ছেন!
-হ্যা।আমিও চিন্তা করতেছি,ও কিভাবে এটা করছে।আর কিভাবেই বা না খেয়ে বেঁচে আছে।

২.
লিটন কোনসময়ই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েনা।যতই বলি-ভাই,নামাজ পড়েন।তার পরের দিন এক-দুই ওয়াক্ত হয়।কিন্তু তারপরে আবার নামাজশূন্য।
কিন্তু রমজানে ওর মাথায় ভূত চেপে গিয়েছে।নামাজ মিস করবোনা,গার্লফ্রেন্ডের সাথে বেশী কথা বলবোনা।
যেখানে নামাজ পড়ার কথা বললে অসুস্হের অজুহাত দেখায়,সেখানে এখন নামাজের কথা বললে মসজিদে চলে যায়।যেখানে দিনে গার্লফ্রেন্ডের সাথে কয়েক ঘন্টা কথা বলতো,সেখানে এখন একঘন্টা কথাও বলেনা।

এখন আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করি,আল্লাহ রমজানকে মানুষের জন্য কত বরকতময় করে সৃষ্টি করেছেন।যে মানুষগুলো বেশীরভাগ সময় অপরাধে নিমজ্জিত থাকতো,তারা আজ অপরাধ থেকে দূরে।যারা কোনসময় মসজিদের আশেপাশে আসতোনা,তারা আজ মসজিদে বসে থাকে।
আমার আল্লাহ,আপনি যদি রমজান মাসের রহমত,বরকতকে বছরের অন্যান্য সময়ও বৃদ্ধি করে দিতেন,তাহলে তা মানবজাতির কতই না কল্যাণকর হতো।।

Hits: 3

Comments
Loading...