Hits: 5

স্যার ! ভাববেন কী ?

0

দূরবীন দেখেছেন ?
নাহ, আমি দূরে দেখার যন্ত্র দূরবীনের কথা বলছি না।
আমি বলছি ‘দূরবীন’ চলচ্চিত্রের কথা। দূরবীন বাংলাদেশের প্রথম শিশুতোষ ডিজিটাল চলচ্চিত্র। এটি নির্মাণ করেছেন তরুণ নির্মাতা জাফর ফিরোজ। যিনি এখন ‘ঘুড়ি’ ওড়াতে ব্যস্ত !!

কী ? মনে পড়েছে ? হ্যাঁ, ঠিকই ধরেছেন ! কন্ঠশিল্পী আমিরুল মোমেনীন মানিক’র হৃদয় ছোঁয়া মাকে নিয়ে গাওয়া ” ওই রাতের তারা চাঁদের সাথে খেলা করে আকাশে/ আমি একা জেগে আছি/ তুমি নেই আমারই পাশে/ মা … ‘ গানের সেই চলচ্চিত্রটিই তো দূরবীন।

মা হারা শিল্পপতি বাবা’র একমাত্র সন্তান লাবীবের নিঃসঙ্গ সংকুচিত মনন বিকাশের দ্বার একজন শিক্ষক কিভাবে উন্মোচিত করে দিয়েছে সেটাই আমার ফোকাসিং পয়েন্ট।

ছাত্র- শিক্ষকের সর্ম্পকের দিকটা কত চমৎকারভাবেই না ফুটে ওঠেছে দূরবীনে। শিক্ষক ভয়ের ব্যক্তি নন, ভালোবাসার ব্যক্তি। বন্ধপ্রতীম ব্যক্তি। শিক্ষার্থীকে সোনালী দিনের স্বপ্ন দেখানোর পেছনে শিক্ষকের কোনো স্বার্থ থাকবার কথা নয়- থাকে না। দায়িত্ববোধই তাঁর প্রেরণা। স্কুল, কোচিং, প্রাইভেট , নোট- সাজেশন করে করে শিক্ষক যেমন শিক্ষাকে পণ্য হিসাবে ব্যবহার করছেন । তেমনি অন্যদিকে কতগুলো রোবট তৈরী করে চলেছেন আদর্শ মানুষ তৈরীর পরিবর্তে ।। এখনকার সময়ে ছাত্র- শিক্ষকের বাণিজ্যিক সর্ম্পক কতটা ঘৃণিত শিক্ষক সমাজ কী সেটা নিয়ে একটু ভাববেন ??

 

একজন শিক্ষক হয়ে উঠতে পারেন শিক্ষার্থীর স্বপ্নপুরুষ ।। স্বপ্ন দেখানোই শিক্ষকের কাজ।। শুধুমাত্র পরীক্ষায় পাস করানোর জন্য মুখস্থ নির্ভর প্রজম্ম তৈরি করা একজন আদর্শ শিক্ষক চরিত্রের বিরোধী কাজ ।।

অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের ‘নিষ্ফলা মাঠের কৃষক’ পড়েছেন ?

সেখানে তিনি বলেছেন-
“পরীক্ষায় ছাত্রদের বেশি নাম্বার পাওয়ার জন্য পরিশ্রম করে জীবন নি:শেষ করাকে আমার কাছে দুর্লভ মানবজন্মের অপচয় বলেই মনে হয়েছে ।।”

আরো বলেছেন-
“নোট- সাজেশন দিয়ে ছাত্র- ছাত্রীদের পাঠ্যপুস্তক আর মুখস্ত সর্বস্ব সংকীর্ণ কুঠুরীর ক্লিষ্ট অধিবাসী করে তোলাকে আমি সব সময় জ্ঞানবিরোধী ও শিক্ষক জীবনের জন্য অনৈতিক মনে করেছি ।।

Hits: 5

Comments
Loading...