একদিন দেশে শান্তি আসবে…

0 ৪২

হুম, সত্যি বলছি, ইনশাআল্লাহ একদিন দেশে শান্তি আসবে-
# অবিচার দূর হবে

# ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা হবে

# ভোটে কারচুপি হবে না।

# পুলিশ জনগনের বন্ধু হবে

# সরকার জনগনের সেবক হবে

# ধর্ষন থাকবে না

# ইভটিজিং বন্ধ হবে

# দূর্নীতির ছায়াও থাকবে না

# নামাজ কায়েম হবে

# আলেমরা সম্মানের আসনে বসবে

# সুদ ঘুষের কারবার থাকবে না

# গুম খুন হত্যা থাকবে না

# চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, রাহাজানি
থাকবে না।

কল্পনাতে না, বাস্তবেই এমন হবে একদিন, ইনশাআল্লাহ।

তবে তখন আমাদের মত মুসলিম মুসলিম ঝগড়া থাকবে না। ঐক্যবদ্ধ এক মুসলিম জাতি থাকবে। একদল আরেক দলকে কাফের বলবে না। নিজেরা নিজেরা বসে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবে।  সমস্ত মুসলিম ঐক্য হয়ে যাবে।

ততদিন পর্যন্ত হয়ত এ জাতিকে বহু লাঞ্চনা, গঞ্জনা, নির্যাতন, অপমান, মিথ্যা অপবাদ সহ্য করে যেতে হবে।

এ জাতি যতদিন এ ব্যাপারটি বুঝবে না, ততদিন তাদের দুঃখও কাটবে না।

সর্বশেষ মনে করুন রোমের বাদশার চিঠির
জবাবে হযরত মোয়াবিয়া (রাঃ) কি লিখেছিলেন।

“হে রোমের কুকুর। আলী মুসলমান, আমিও মুসলমান। আলীর সাথে আমার দ্বন্দ্ব থাকতেই পারে, সেটা নিতান্তই মুসলমানদের ঘরোয়া ব্যাপার। মুসলমানদের ঘরোয়া ব্যাপারে নাক গলানোর অধিকার কোন বিধর্মীর নেই। তুই যদি আলীর বিরুদ্ধে সেনাবাহিনী প্রেরণ করিস, তবে আলীর পক্ষে সর্বপ্রথম অস্ত্র ধারন করবো আমি মুয়াবিয়া”।

সেদিন কি হযরত মুয়াবিয়া রা. সাথে হযরত আলী রা. এর দ্বন্দ্ব চরম আকারের ছিলো না? মোয়াবিয়া রা. কি রোমের বাদশার সাহায্য গ্রহন করে আলী রা. এর ক্ষতি করতে পারতো না?
কেন করেন নি?
কারন হযরত মোয়াবিয়া রা. জানতো আল্লাহ পাক পবিত্র ক্বুরআনে বলেছেন

“মোহাম্মদ ও তাঁর সাহাবীগন নিজেদের প্রতি সদয়, কাফেদের প্রতি নির্দয়।“

আর বর্তমানের মুসলমানগন নিজেদের প্রতি নির্দয়, কাফের ও ষড়যন্ত্রকারীদের প্রতি সদয়। তাহলে এ জাতির জন্য লাঞ্চনা আসবে নাতো কি আসমান থেকে মান্না সালোয়া আসবে?

(সংগৃহিত ও সম্পাদিত)

Hits: 3

Comments
Loading...