Hits: 13

নিজেকে শান্তনা দেই

0

মাত্র দেড় বছরের ব্যাবধানে দুনিয়াটা আর একরকম থাকে না। সব কিছুই পরিবর্তন হয়ে যায়। মানুষগুলোও অন্যরকম হয়ে যায়। তাদের মানষিকতা, চিন্তা কোনকিছুই আর একরকম থাকেনা। দেড়বছর আগে যেটা পাবার জন্য মানুষ কান্নাকাটি করে সেটাই দেড়বছর পরে তুচ্ছ, অপ্রয়োজনীয়, বোঝা মনে হয়। তবুও কিছু মানুষ আছে যারা বোকার মত অতীততে আঁকড়ে ধরে বাঁচতে চায়।তারা বিশ্বাস করে সব কিছুই আগের মত আছে কিন্তু বাস্তবতা তাদের সামনে এসে দাড়ায়, একদম মুখোমুখি অবস্হানে।

আমরা মানুষ আমরা সবাই সুখী হতে চাই। বিশ্বাস করি, এই জীবনটা আমার আমি যেভাবে চাই সেভাবেই আমি আমার জীবন সাজাব, সেভাবেই চলব। আমরা ভেবে বসি আমি নিজেই নিজের জীবনের নিয়ন্ত্রক। কিন্তু আমরা যেভাবে সব কিছু পেতে চাই, যেভাবে চিন্তা করি সেভাবে সবকিছু হয়না। হটাৎ করে কোন দুর্ঘটনা ঘটে যায়, খুব কাছের কাউকে হারিয়ে ফেলি যাকে হারানোর কথা ছিলনা_ আমরা বুঝতে পারিনা, খুঁজে বের করতে পারিনা এই দূর্ঘটনা আর এই হারানোর কারণ কি? কেন এমন হয়ে গেল? এমন তো হবার কথা মোটেও ছিলনা!!! আমরা হতাশ হই।

আসল কারণ হল, আমরা ভুলে যাই আমরা মানুষ। আজ আমি দুনিয়ার মাটিতে দাড়িয়ে অথচ একটা সময় আমি কিছুই ছিলাম না, আবার একটা সময় থাকবোওনা। আমরা ভুলে যাই আল্লাহ বলে একজনের অস্তিত্ব আছে, তিনি সবসময় বিরাজমান। ভুলে যাই তিনিই আমাদের স্রষ্টা, তিনিই আমাদের দুনিয়ায় পাঠিয়েছেন এবং তিনিই লিখে রেখেছেন. “আমাদের জীবনে কি কি ঘটবে??” আমরা এটাকে কখনো মেনে নিতে পারিনা যে, ” আমাদের ভাগ্য অন্য কেউ লিখে রেখেছে, ভাল-মন্দ সব কিছুই যা হচ্ছে প্রত্যেকটি আল্লাহ ঘটাচ্ছেন, আল্লাহর পক্ষ থেকেই সব কিছু হচ্ছে।” কিন্তু তিনিই সবকিছুর নিয়ন্ত্রক আর এটিই সত্যি।

তাই আপনি যখন নিজেই নিজের নিয়ন্ত্রক ভেবে বসেন তখনই আল্লাহ পরিস্হিতিটা দুর্ঘটনায় পরিণত করেন যেন মানুষ বুঝতে পারে,” সে মানুষ, ভাগ্য নিয়ন্ত্রক না।” কারণ আল্লাহ চান তার দিকে মানুষ ফীরে যাক। অথচ ঠিক এই মুহূ্র্তটাতে এসে দাড়াতেই অধিকাংশ মানুষ সবসময়ই ভাগ্যের দোষ দেয়, আল্লাহকে দোষারোপ করে থাকে অথচ আপনি সবসময়ই দেখবেন আপনার চাইতে কেউ না কেউ অনেক বেশি পরিমাণে বিপদগ্রস্হ। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তার জায়গায় আপনাকেও রাখতে পারতেন। কিন্তু আপনি তার থেকে কম বিপদগ্রস্হ। এটাই সত্য। দুনিয়াটা পরীক্ষার জায়গা চিরস্হায়ী জায়গা না।

(collected)

Hits: 13

Comments
Loading...