Hits: 0

কুদরতের ওপর আফসোস!

0

যে বিষয়ে শুধু আল্লাহ’র হাত আছে- তথা কুদরতের ওপর অনেক সময় আফসোস করারটা অবান্তর মনে হয়, যেখানে ‘আগামীকাল কি হবে’, ‘আমার ভবিষ্যত বা ভাগ্য কি’-এটা না জানাটাই আমাদের একটা অক্ষমতা। যে বিষয়ের জ্ঞান আছে শুধু আল্লাহর। হ্যা, অক্ষমতা থাকা স্বত্বেও চিন্তার স্বাধীনতায় অনেক সময় আমরা ভেবেও বসি- ‘আমার সেটা থাকলে কতই না ভালো হত’! আর না পেলে আফসোসটা আসে কুদরতের ওপরই…

সম্প্রতি এমন এক পরিবারের কথা শুনি যেখানে, মেয়ে হয় না কেনো- সেকারণে মা সাতবার গর্ভবতী হওয়ার পরও বার বার ছেলে সন্তান দেখে হতাশ। যদিও আল্লাহ বলেছেন- “ আসমান ও জমিনের রাজত্ব আল্লাহরই, যা চান তিনি সৃষ্টি করেন। যাকে চান কন্যা সন্তান দেন, যাকে চান পুত্র সন্তান দেন। অথবা তাদেরকে দেন পুত্র ও কন্যা উভয়ই। আর যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করেন। তিনি সববিষয়ে সর্বাধিক অবহিত ও ক্ষমতাবান। (সূরা শূরা, আয়াতঃ ৪৯-৫০)

এদিকে তিন মেয়ের জননী এক মহিলাকে বেশ আক্ষেপ করে বলতে শুনি- “দূর! আল্লাহ আমাকে ছেলে দিলো না- সব মেয়ে! ছেলে থাকলে আজকে মানুষের বাসায় ঝিয়ের কাজ করতে হতো না”। আসলে ছেলে থাকলেই যে উনাকে ঝিয়ের কাজ করতে হতো না- তা কি নিশ্চিত করে বলা যায়? যেখানে অনেক পরিবারেই দেখা যায়- ছেলে আছে ঠিকই, উপার্জনও করে, তবে বৃদ্ধা মা’র খবর নেয় না। শেষমেষ দেখা যায়- ঝিয়ের কাজ তো দূর বরং ভিক্ষা করে খাওয়া লাগে। আর অধিকাংশ বৃদ্ধা ভিখারিদের এমনই অভিযোগ- “বাড়িতে কেউ জিগায় না…”.

সুতরাং, ছেলে হোক বা মেয়ে, কিংবা একতরফা ছেলে/মেয়ে যাই হোক- আফসোস করার কিছু নেই। বরং, সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষায় শিক্ষিত করার পাশাপাশি উপযুক্ত শিক্ষা দিন যাতে তারা মা-বাবা’র প্রতি কখনো কর্তব্য ভুলে না যায়।

Hits: 0

Comments
Loading...