কবি-সাহিত্যিকদের ভালো লাগে না…

0 ৪১

index
# এদের বই-পত্র প্রেম করতে শেখায়, তবে হতাশার মধ্যে পড়ে গেলে, তা থেকে বেরুবার পথ দেখায় না।
# এদের অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু হচ্ছে নারী। নারীকে এরা ছলনাময়ী, ভুলোমনা, ধোঁকাবাজ- ইত্যাদি হিসাবে প্রকাশ করে।
# এরা একটু অতিমাত্রায় নারী বিশেষজ্ঞ (!!!)। নারীদের বাহ্যিক- অভ্যন্তরীণ জিনিসপাতি হাতড়াতে মজা পায়।
# এরা নারীদের যৌবনের রূপে গলে-গলে পড়ে যায়, বিশ্রি ও উত্তেজিত শব্দে দৈহিক গঠন বর্ণনা করে যা পাঠককে খারাপ পথে উদ্বেলিত করে সহজেই।
# এরা প্রেমের ব্যর্থতা নারীর উপর চাপিয়ে দেয়। পুরুষকে ব্যর্থতার জন্য দায়ী করা হয় না।
# এরা অতিমাত্রায় কাল্পনিক বিধায় বাস্তবিক জীবনে চলার পথে এদের থেকে কিছু শেখা যায় না।

সবশেষে বলতে- অনেক দুঃখের সাথে বলছি- অধিকাংশ কবি- সাহিত্যিকদের এহেন বাঁদরামি আর বেয়াদবীর বিপরীতে যেখানে নারীজাতির অতিমাত্রায় সজাগ হওয়ার প্রয়োজন ছিলো, সেখানে আমাদের সমাজের নারীরা ল্যাদাগুষ্ঠি। (I am sorry for using this word)। জানি, তাদের এমনটি হওয়ার পিছনে তাদের পরিবার ও সমাজ দায়ী। কারণ অনেক সময়ই একা নারীর পক্ষে অনেক কিছুই করা সম্ভবপর হয় না। তবে দেখতে পাচ্ছি- নারীদেরকে সজাগ না হতেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে বাঁধা। তাদেরকে শুধু এবং কেবল শুধুই চাকরি দিয়ে চোখের সামনে টাকা ঝুলিয়ে দিয়ে এই সমাজ মনে করছে- “ব্যাস! নারী অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেলো”! অথচ কিছু ক্ষেত্রে দেখা যায়- চোখে টাকার পট্টি লাগিয়ে তাদের মুখ বন্ধ করে, তলে তলে নারীদের অপমান করা হয়- কিন্তু সেই দিকে নারীরা সংগ্রামী হচ্ছে না। অথচ আমরা চাই- নারী সচেতনতা…

বিঃদ্রঃ আমার উপরের কোনো শব্দে কারো খারাপ লাগলে ক্ষমা চাই, তবে আমি নারীদের অপমান সহ্য করতে পারি না, তাই সেই সব অপমানিত হওয়ার জায়গায় আওয়াজ তুলতে চাই, বন্ধ করতে চাই, সম্মিলিতভাবে…

Hits: 2

Comments
Loading...