বাদশাহ আকবর এর কিছু কুকীর্তি

0 ৩৭
আমরা বাদশাহ আকবরকে অনেক বড় মনে করি। আবার অমুসলিমরাও তাকে অনেক সম্মান দেয় কিন্তু অন্য বাদশাহদের দেন্য না। কেন দেয় না বা কেন মুল্যায়ন করে না তা আমরা একটিবারো ভাবিনা। শুধু ভাবি যে এক জন মুসলিম বাদশাহকে তো সবাই মুল্যায়ন করে। অথবা আকবরের অল্প বয়সে রাজসিংহাসনের পরিচালনা ক্ষমতার জন্য তাকে সবাই সম্মান করে। আসলে কী বাস্তবে তাই ? সত্যিই কী সে এমনটা ছিলো…

অশিক্ষিত মুর্খ আকবর ও তার অনুসারিদের মতে “ইসলাম মূর্খ ও অশিক্ষিত বুদ্ধুদের মধ্যে জন্ম লাভ করে”।
এমন কি নবী (সঃ)-কে নিয়ে সমালোচনা করা হতো এবং নবী(সঃ)-এর মধ্যে দাজ্জালের চিহ্ন খুঁজা হতো।
আকবর সব ধর্মের সংমিশ্রনে একটি নতুন ধর্মের প্রবর্তন ও প্রচার শুরু করে; যার নাম “দীন-এ-এলাহী”।
এর মুল মন্ত্র “লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু, আকবর খলিফাতুল্লাহ”।
নতুন ধর্ম গ্রহনের জন্য দীন ইসলাম থেকে তওবা করে “দ্বীন-এ-এলাহী আকবর শাহী” এর মাধ্যমে প্রবেশ করতে হতো ।
নতুন দ্বীন গ্রহনকারীদের “চেলা” আখ্যা দেয়া হতো।
সালামের পরিবর্তে, সালামকারী বলতো-“আল্লাহু আকবর” ; আর উত্তর দাতা বলতো – “জাল্লা জালালুহু”।**
**উল্লেখ্য বাদশাহ’র নাম- জালালুদ্দিন; আর তার উপাধি- আকবর।

আকবরের আরও কিছু ইসলাম বিরোধি কুকির্তী …

  • কাবার বদলে বাদশাহকে সেজদা করা হতো।
  • সুদ,জুয়া ও মদকে হালাল করা হয়েছিলো।
  • চাচাত ও মামাত বোনদের সংগে বিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়।
  • একাধিক বিবাহ নিষিদ্ধ করা হয়।
  • ছেলেদের জন্য রেশম ও স্বর্নের ব্যবহার গণ্য করা হয়।
  • সিংহ ও বাঘের গোশত হালাল করা হয় এবং ইসলামের প্রতি প্রতি হিংসার বশবর্তি হয়ে শূকরকে শুধু পাকই নয় বরং অতি পবিত্র প্রানি হিহেবে গণ্য করা হয়। এমন কী সকালে ঘুম থেকে উঠে শূকর দর্শন পূণ্য মনে করা হতো।
  • সুর্য্যের পুজা করা হতো। একাধারে চল্লিশ দিন সুর্য্যের আবাহন করে চিল্লা পালন করা হতো।
  • ইসলামী শিক্ষা ছাড়া অন্যান্য সকল শিক্ষা ক্ষেত্রে সরকারী অনুদান দেয়া হতো।
  • ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ থাকার কারনে মোহাম্মদ ও আহাম্মদ নামের ব্যক্তিদের না পরিবর্তন করা হয়।

এমতাবস্থায় শায়খ আহমদ নতুন দ্বীনের বিরোধিতা করেন। এজন্য তার প্রতি রাষ্ট্রীয় জুলুম ধেয়ে আসে। এমন কী তাকে কারাগারে কারাভোগ করতে হয়। বাদশাহকে “সম্মানের সেজদা” না করার কারনে বাদশাহ’র পুত্র জাহাঙ্গীর তাকে গোয়ালিয়র দুর্গে প্রেরণ করেন। পরে জাহাঙ্গীর নিজেই সরহিন্দের ভক্ত হয়ে যান এবং নিজ পুত্র খুররমকে শাহজাহান উপাধী দেন। এভাবে সরকারের বিরোধ বিদ্বেষ সম্মানের রূপ লাভ করে। এই শায়খ আহমদ সরহিন্দের উপাধী হচ্ছে “মুজাদ্দিদে আলফি সানি”।

আজ আমরা কি পারিনা শায়খ আহমদ সরহিন্দের মত ঐক্যবদ্ধভাবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাড়াতে ?? সকল পাঠকের কাছে প্রশ্ন রইল ……

Hits: 1

Comments
Loading...