ইয়েমেনের গৃহযুদ্ব ও সৌদি যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব

ইয়েমেন থেকে বের হয়ে পুনরায় আলাদা রাষ্ট্র গঠন করতে চাচ্ছে দক্ষিণ ইয়ামেনের বিচ্ছিন্নতাবাদীরা। সম্প্রতি চলমান গৃহযুদ্বের অবসান ঘটাতে সৌদি যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাবও দিয়েছে। তাই ইয়েমেন নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে চলমান দক্ষিণ ইয়েমেনে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন, হুথি বিদ্রোহীদের সাথে মনসুর হাদির মধ্যে গৃহযুদ্ধ, সৌদি- ইরানের মধ্যে প্রক্সি ওয়ার নিয়ে রুট কারনগুলা সহজে বুঝতে আমাদের একটু পুরনো ইতিহাসে ফিরে যেতে হবে।
মানচিত্রে অবস্থান
একটু মানচিত্রের দিকে তাকালেই দেখবেন যে ইয়েমেনের পশ্চিমে লোহিত সাগর এবং দক্ষিণে এডেন উপসাগর। এটি আফ্রিকা মহাদেশ থেকে বাব এল মান্দেব প্রণালীর মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন। দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বে সৌদি আরব এবং পূর্বে ওমান অবস্থিত। ভৌগোলিক এই অবস্থানের কারনেই ইয়েমেন আজ ভূরাজনীতির স্বীকার।
যেভাবে তৈরি হলো দক্ষিণ ইয়ামেন
ইয়ামেন মূলত উত্তর ইয়ামেন ও দক্ষিণ ইয়ামেন এই দুইভাগে বিভক্ত ছিলো। এডেন উপসাগরের কাছাকাছি থেকে একটি ব্রিটিশ জাহাজের ধ্বংসাবশেষ চুরি হয়ে যাওয়ার অজুহাতে ১৮৩৯ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটেন এডেন বা ইয়েমেনের দক্ষিণাংশ দখল করে নিয়েছিলো। সেই থেকে দক্ষিণ ইয়ামেন ব্রিটিশদের অধীনে ছিলো। পরবর্তীতে ১৯৬৭ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ নভেম্বর দক্ষিণ ইয়েমেন স্বাধীনতা লাভ করে। দক্ষিণ ইয়েমেনে মার্ক্সবাদীদের উত্থান ঘটে।ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট প্রথমে দেশের নেতৃত্ব দেয়। পরবর্তীতে তা ইয়েমেন সোশ্যালিস্ট পার্টি হিসেবে রূপ ধারণ করে। এসময় দক্ষিণ ইয়েমেন সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বৈদেশিক সহায়তা ও অন্যান্য সমর্থন লাভ করত।
অটোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর সৃষ্টি হয় উত্তর ইয়ামেনের
অপরদিকে সৌদি আরবের বর্ডার ঘেঁষে ইয়ামেনের উত্তরাংশ ১৫১৭ থেকে ১৯১৮ সাল পর্যন্ত অটোম্যান সাম্রাজ্যের অধীনস্থ ছিল। যা উত্তর ইয়ামেন হিসেবে পরিচিত ছিলো। ১৯২৪ সালে এই উত্তর ইয়ামেন লাওসান চুক্তির মাধ্যমে অটোম্যান টার্ক সাম্রাজ্য থেকে মুক্ত হয়। গোত্রীয় প্রতিনিধিত্ব অন্তর্ভুক্ত করে উত্তর ইয়ামেনে প্রজাতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়। অর্থাৎ প্রতি গোত্র বা বংশ থেকে রিপ্রেজেনটেটিভ নিয়ে সরকার গঠিত হতো।
কায়রো চুক্তি
১৯৭২ সালের অক্টোবরে উত্তর ও দক্ষিণ ইয়েমেনের মধ্যে একটা লড়াই শুরু হয়। সৌদি আরব উত্তর ইয়েমেনকে এবং সোভিয়েত ইউনিয়ন দক্ষিণ ইয়েমেনকে সমর্থন দিয়েছিল। দুই রাষ্ট্রকে একীভূত করার জন্য ১৯৭২ সালের ২৮ অক্টোবর কায়রো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
দুই ইয়ামেনের একত্রীকরন হয় যেভাবে
১৯৮০ এর দশকের শেষদিকে দুই রাষ্ট্রের সীমান্তবর্তী এলাকায় তেল আবিষ্কারের পর একত্রীকরণের ব্যাপারে দুই পক্ষ আগ্রহী হয়।
১৯৯০ সালের দিকে পূর্ব এবং পশ্চিম জার্মানি একীভূত হওয়ার পর পরই উত্তর ইয়েমেন (আরব প্রজাতন্ত্র) এবং দক্ষিণ ইয়েমেন (গণপ্রজাতন্ত্রী ইয়েমেন) দেশ দুটি একত্রিত হয়ে ইয়েমেন গণতন্ত্র গঠন করে।
উত্তর ইয়েমেনের সাবেক রাজধানী সানাকে রাজধানী করা হয়। দক্ষিণের জাতীয় সঙ্গীতকে রাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত নির্ধারণ করা হয়। সাবেক রাষ্ট্রসমূহের সকল চুক্তি ও দায় নতুন রাষ্ট্র গ্রহণ করে নেয়। কিন্তু তাই বলে দেশটিতে বিভক্তি এড়ানো যায়নি। এখানে গোষ্ঠীগত দ্বন্দ্ব লেগেই ছিল; যা দেশটিকে অর্থনৈতিকভাবে আরও দুর্বল করে দেয়। এই দক্ষিণ ইয়ামেন এখন আবার বের হয়ে স্বাধীন রাষ্ট্র গঠন করতে চাচ্ছে।
শিয়া-সুন্নি দ্বন্দ্ব থেকে গৃহযুদ্ধ
দেশটিতে ৬০ ভাগ সুন্নি ও ৪০ ভাগ শিয়ার বসবাস। ইয়েমেনের উত্তরে শিয়া ধর্মালম্বী জাইদি সম্প্রদায়ের লোক বাস করে যারা হুতি নামে পরিচিত। অন্যদিকে বরাবরের মতো দেশটির রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল সুন্নি গোষ্ঠী; যা শিয়ারা কখনই ভালোভাবে মেনে নেয়নি। ফল স্বরূপ ১৯৯৪ সালে ইয়েমেনে একটি গৃহযুদ্ধও সংঘটিত হয়।
অনুষ্ঠিত হয় নির্বাচন
১৯৯৯ সালে ইয়েমেনে প্রথমবারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে ইয়েমেনের ক্ষমতায় আসেন আলি আবদুল্লাহ সালেহ। সালেহ দীর্ঘ ৩৩ বছর ধরে দেশ শাসন করতেছিলেন। ২০১১ সালে যখন তিউনিসিয়ায় আরব বসন্ত শুরু হয় তার ঢেউ এসে পরে ইয়েমেনে। অন্যান্য আরব দেশের স্বৈরশাসক বিরোধী আন্দোলনের মতো ইয়েমেনেও শুরু হয়েছিলো সালেহ বিরোধী আন্দোলন।
আন্দোলনের তোপে সালেহ এর পদত্যাগ এবং উপ রাষ্ট্রপতি হিসেবে মনসুর হাদির ক্ষমতা গ্রহণ
আলি আবদুল্লাহ সালেহকে অপসারণের জন্য ইয়েমেনে আন্দোলনের সূচনা হয়। আন্দোলনের মুখে পরে সালেহ উপ রাষ্ট্রপতি মনসুর হাদির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। ইয়েমেনের সংকট শুরু হয় মূলত তখন থেকেই। এরপর আরব বিশ্বের সব থেকে গরিব দেশটি আরও গরিব হতে থাকে। হাদি যখন দেশ পরিচালনায় মনোযোগ দেয়া শুরু করেন তখনই তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট সালেহ দ্বারা বাধাগ্রস্ত হন। যেই হুতিরা এক সময় পূর্বের প্রেসিডেন্ট সালেহর বিরুদ্ধে আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল তারাই আবার সালেহর পক্ষ নিয়ে হাদির বিরুদ্ধে দাঁড়ান। এছাড়া হাদির প্রশাসনের এক অংশ তখনও সালেহর অনুগত ছিল। এমনকি নিরাপত্তা বাহিনীও সালেহর অনুগত। তাই হাদি প্রসাশন কার্যত দুর্বল হয়ে পড়ে এবং হাদি ও তার মন্ত্রিসভা পদত্যাগ করেন।
হুথিদের ক্ষমতা দখল
এই সুযোগে ২০১৪ সালে হুতিরা দেশটির রাজধানী সানাসহ উত্তরাঞ্চল দখল করে নেয়। কিন্তু দক্ষিণের ৪টি সুন্নি প্রধান প্রদেশ হুতিদের কর্তৃত্ব মেনে নেয়নি। এমন অবস্থায় হাদি সানা থেকে পালিয়ে গিয়ে এডেনে অবস্থান নেন এবং পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করে আবার নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন। এতে দেশটি আবার দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়ে। শিয়া সংখ্যাগরিষ্ঠ উত্তরের নিয়ন্ত্রণ থাকল হুতিদের হাতে আর সুন্নি সংখ্যাগরিষ্ঠ দক্ষিণের নিয়ন্ত্রণ থাকল বৈধ প্রেসিডেন্ট হাদির হাতে। এখন হুতিরা চাচ্ছে দেশটিতে শিয়াদের আধিপত্য বিস্তার করতে আর সুন্নিরা চাচ্ছে হাদি সরকারকে।
আল কায়দা ও আইএসের অনুপ্রবেশ
আর দেশটির এ অস্থিতিশীল অবস্থার সুযোগ নিয়ে দুটি ইসলামিক জঙ্গিগোষ্ঠী ( আল কায়দা ইন দ্য এরাবিয়ানা পেনিনসুলা ও ইসলামী স্টেট) দেশটিতে ঢুকে পড়ে। ইয়েমেনের আল কায়দা বিশ্বের সব থেকে ভয়ংকর জঙ্গি সংগঠন বলে ধারণা করা হয়। পুরো বিশ্বও এখন মোটামুটি দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে এক দল হুতিদের পক্ষে আর এক দল হাদির পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। এখানে আসলে সবাই সবার স্বার্থ দেখছে।
পশ্চিমা বিশ্বও যাতে তাদের ভূ-রাজনৈতিক এবং কূটনৈতিক স্বার্থ বজায় থাকে সেদিকেই বেশি নজর দিচ্ছে। দেশটির অসহায় জনগণের কথা কেউ ভাবছে না। সৌদি আরবসহ আটটি সুন্নি দেশ (বাহরাইন, কুয়েত, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, মিসর, জর্ডান, মরোক্ক ও সুদান) ইয়েমেনের বৈধ সরকারের পক্ষে অবস্থান নেয়। আর এক্ষেত্রে পশ্চিমাদেশ যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স তাদের সমর্থন করে। অন্যদিকে শিয়া প্রধান দেশ ইরান ও হিজবুল্লাহ অবস্থান নেয় বিদ্রোহী হুতিদের পক্ষে। এমনিতেই সুন্নি প্রধান সৌদি আরব এবং শিয়া প্রধান ইরানের মধ্যে বর্তমানে একটি প্রক্সি যুদ্ধ বিদ্যমান। তাই ইয়েমেনে তাদের বিপরীতমুখী অবস্থানকে অনেকে আঞ্চলিক ক্ষমতা দখলের লড়াই হিসেবেও দেখছে।
কেন যুক্তরাষ্ট্র সৌদিকে সমর্থন দিচ্ছে?
০১. আপনারা জানেন যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে অস্ত্র রপ্তানি করার মাধ্যমে। আর গত কয়েক বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রের সেই অস্ত্রের বড়ো বাজার হলো সৌদি। সৌদি যুক্তরাষ্ট্র থেকে আধুনিক এই অস্ত্র ক্রয় করে ব্যাবহার করছে হুথিদের বিরুদ্ধে।
০২. সৌদি যদি যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা না পায় এবং মনসুর হাদিকে সাহায্য না করে তাহলে হুথিরা ইরানের সাহায্য নিয়ে ইয়েমেনের ক্ষমতা দখল করে ফেলবে। যার কারনে এডেন উপসাগরে ইরান প্রভাব বিস্তার করবে।
ইয়েমেনে সৌদির হামলা
২০১৫ সালে মার্চে হাদির সমর্থনে সৌদি আরব ইয়েমেনে হস্তক্ষেপ করে। ২০১৬ সালের ৮ অক্টোবর সানায় সৌদি জোটের হামলায় ১৪০ জন নিহত, আহত হন আরও ৬০০ জন। সৌদি আরব বরাবরই অভিযোগ করে আসছে যে ইরান হোদাইদা বন্দর ব্যবহার করে হুতি বিদ্রোহীদের অস্ত্র সরবরাহ করে আসছে। ইরান শুরু থেকেই সৌদি আরবের এ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। বরং সৌদির কাছে অস্ত্র বিক্রি করায় পশ্চিমা দেশগুলো সমালোচনার স্বীকার হচ্ছে।
সৌদি কেন মনসুর হাদিকে সমর্থন করছে?
প্রথমত, হুথিদের বসবাস সৌদির সীমান্ত ঘেঁষে উত্তর ইয়ামেনে। তাই তারা ক্ষমতায় আসলে সৌদির নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। দ্বিতীয়ত, এডেন উপসাগর বানিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তাই এখান থেকে ইরানের প্রাধান্য কমিয়ে মনসুর হাদিকে ক্ষমতায় বসিয়ে এই অঞ্চলের আধিপত্য সৌদিও নিতে চায়।
সৌদি হঠাৎ ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিল কেন?
ইয়েমেন যুদ্ধে বিরতিসহ নতুন একটি শান্তিচুক্তির প্রস্তাব দিয়েছে সৌদি আরব। সম্প্রতি এ ঘোষণা দিয়েছেন সৌদি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফয়সাল বিন ফারহান আল সৌদ। তার প্রস্তাবে বলা হচ্ছে, জাতিসংঘের নজরদারিতে ইয়েমেনজুড়ে যুদ্ধবিরতি পালিত হবে এবং সানা বিমানবন্দরের পাশাপাশি জ্বালানি ও খাদ্য আমদানির জন্য হুদায়দা সমুদ্রবন্দরও খুলে দেওয়া হবে। তবে সৌদির এ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে ইয়েমেনি বিদ্রোহীরা।
প্রায় ছয় বছর আগে ইয়েমেনে ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের দমনের লক্ষ্যে এক ‘অসম’ যুদ্ধ শুরু করে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট। এ লড়াইয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ইয়েমেনের হাজার হাজার নিরীহ মানুষ, ঘরছাড়া হয়েছেন কয়েক লাখ। ধ্বংস হয়ে গেছে অসংখ্য ঘরবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। জাতিসংঘের মতে, বিশ্বে গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ মানবিক সংকট তৈরি হয়েছে ইয়েমেনে। দেশটির ৮০ শতাংশ মানুষেরই জরুরি ত্রাণ সহায়তা প্রয়োজন বলে জানিয়েছে তারা।এরপরও নতজানু হয়নি ইয়েমেনি বিদ্রোহীরা। এ অবস্থায় সৌদি আরব হঠাৎ যুদ্ধবিরতি কেন চাচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
আমার মতে সৌদি সরকারের এভাবে পিছু হটার পেছনে মূলত তিনটি কারণ রয়েছে।
০১. সৌদি আরব তাদের সবচেয়ে বড় মিত্র সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আর পাশে না পেয়ে চাপে পড়েছে। বাইডেন প্রশাসন ক্ষমতায় এসেই সৌদির কাছে অস্ত্র বিক্রি স্থগিত করেছে।
০২. ইয়েমেনে মানবিক সংকট তৈরির অভিযোগে সৌদি আরবে অস্ত্র বিক্রি বন্ধ করে দিয়েছে ইতালি, দক্ষিণ আফ্রিকার মতো দেশগুলোও। ফলে বহির্বিশ্বে শক্ত সমর্থন ছাড়া সৌদির পক্ষে ইয়েমেনে সামরিক অভিযান চালিয়ে যাওয়া একপ্রকার অসম্ভব হয়ে উঠেছে।
০৩. ছয় বছর ধরে যুদ্ধ করে সৌদি সরকার হয়তো অনুধাবন করছে, ইয়েমেনি বিদ্রোহীদের এভাবে দমন করা সহজ নয়। এতদিন হামলার শিকার হওয়া হুথি বিদ্রোহীরা সম্প্রতি রিয়াদসহ সৌদির বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পাল্টা হামলা শুরু করেছে। তাছাড়া, সৌদি আরবের জন্য যুদ্ধের ব্যয়ভারও অনেক বেড়ে গেছে।
কিন্তু যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব দেওয়ার পরপরই সৌদি পুনরায় ইয়েমেনের রাজধানী সানায় বিমান হামলা চালিয়েছে। সৌদি মুখে মুখে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিচ্ছে আবার বিমান হামলাও চালাচ্ছে। তাই হুথি বিদ্রোহীরা বলছে সৌদির এধরনের প্রস্তাব নতুন কিছু নয়। তাই ইয়েমেনের গৃহ যুদ্ধ আদো বন্ধ হবে কিনা বলাটা অনিশ্চিত!!
কিভাবে ইয়েমেনের গৃহ যুদ্ধ বন্ধ করা যায় বলে আপনি মনে করেন? কমেন্টে আপনার মতামত দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি।
Info collected from:
-Start Here
-Vox
-BBC Bangla
-TheSangbadBD
-JagoNewz
-Wikipedia

Muhammad Miraj Mia
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
ইয়েমেনের গৃহযুদ্ব ও সৌদি যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব ইয়েমেনের গৃহযুদ্ব ও সৌদি যুদ্ধ বিরতির প্রস্তাব Reviewed by বায়ান্ন on April 21, 2021 Rating: 5

No comments:

Powered by Blogger.