জন্মদিনটা কার জন্য?

আজকের লেখার মূল প্রতিপাদ্য বিষয়ের জন্য এক ভাইকে ধন্যবাদ। মূলত উনি জন্মদিন কেন্দ্রিক এক নতুন চিন্তা উনার সন্তানদের নিয়ে আলোচনা করেছিলেন। আল্লাহ উনার জ্ঞান বৃদ্ধি করুন ও নেকি দিন।


গতকাল আমার এক আপনজনের জন্মদিন ছিলো। তো উনাকে বললাম- আপনার আম্মার কবরটা জিয়ারত করে আসেন।  বলার উদ্দেশ্য ছিলো- নিজের মা’কে স্মরণ করা।

আসলেই তো! এই দিনে নিজের মা’কেই স্মরণ করা উচিত। তিনি জীবিত থাকুক কি মৃত। আমাদের কাছে আমাদের জন্মের দিনটা অনেক আনন্দের হলেও, আসলেই কি এটা আনন্দের? এই দিনটা তো ছিলো অনেক কষ্টের! করুণার! যে কষ্টটা করেছিলো আমাদের মা। সন্তান প্রসব করা মুখের কথা নয়। আর সেই যন্ত্রণা লিখে প্রকাশ করার মতোও নয়। যেনো বাঁচা মরার লড়াই। শুধু আল্লাহকে ডাকা। “আল্লাহ আমাকে মুক্তি দাও”, “আল্লাহ সাহায্য করো”, আল্লাহ আমাকে,আমার সন্তানকে হিফাজত করো”, এই দুয়াগুলোই যেনো বের হতে থাকে মায়ের কষ্টজড়িত কন্ঠে। সুতরাং, জন্মদিনে যাকে স্মরণ করতে হয় সে হলো আমাদের ‘মা’। সময়ের সাথে সাথে মা তার যন্ত্রণা ভুলে যায় ঠিকই, তবে যখন সে দেখে যে, তার সন্তান তার কষ্টের মূল্যায়ণ করছে- তখন খুশি হয়।
তাই, আমি মনে করি- জন্মদিনে, আমি জন্মে ছিলাম- সেটা মনে করার চেয়ে এই দিন আমার মায়ের অনেক কষ্ট হয়েছিলো সেটা স্মরণ করা, অতঃপর দুয়া করা উচিত।   

জন্মদিনটা কার জন্য? জন্মদিনটা কার জন্য? Reviewed by বায়ান্ন on August 05, 2019 Rating: 5

No comments:

Powered by Blogger.