মনস্তত্ত্ব...

মানুষের মনস্তত্ত্ব বুঝা সহজতর কোনো ব্যাপার নয়।। বেশ কঠিনই বটে।। তবুও যারা মানুষকে নিয়ে কাজ করতে চায়, তাদেরকে মানুষের মনস্তত্ত্ব বুঝার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে।। একটু বাড়িয়ে বললে মনস্তত্ত্ব বুঝতে হবে।। মানুষের মানসে কোন কোন বিষয়গুলো কিভাবে রেখাপাত করছে তা বুঝার যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।। অনেকটা মানসিক ডাক্তারের ভূমিকা নিতে হবে।।

মনস্তত্ত্ব বুঝার দুইটি দিক হতে পারে।। ব্যক্তি বিশেষের মনস্তত্ত্ব আর মানুষের সামগ্রিক মনস্তত্ত্ব।। ব্যক্তি বিশেষের আচরণ, বৈশিষ্ট, রুচিবোধ, পোষাক, আঞ্চলিকতা, শিক্ষা, বংশধারা, প্রফেশন, মানুষের সাথে সম্পর্ক, ধর্ম বিশ্বাস প্রভৃতি বিষয় তার মনস্তত্ত্বকে ধারণ করে।। অন্যদিকে কোনো দেশ বা ভৌগোলিক অবস্থা, সেখানকার ইতিহাস- ঐতিহ্য, সংস্কৃতি, চেতনা, জীবনবৈচিত্র, জাতিগত মনোভাব প্রভৃতি সামগ্রিক মনস্তত্ত্বকে ধারণ করে।।

মানুষের মনস্তত্ত্বের প্রায়োগিক দিকগুলোকে সমাজ সংস্কারকামীদের গবেষণার আওতায় আনতে হবে।। বিষয়টার একটা প্রাতিষ্ঠানিক অবয়ব দাড় করানো যায়।। যার ফলে বিষয়টার যথার্থতা প্রকাশ পাবে।। হিউম্যান রিসার্চ সেন্টার গড়ে তুলে নামে নয়, বাস্তবিকভাবে পরিবর্তনের উপাদানগুলোকে নিয়ে কাজ করা যায়।।

মনস্তত্ত্ব... মনস্তত্ত্ব... Reviewed by বায়ান্ন on September 27, 2015 Rating: 5

No comments:

Powered by Blogger.