মা...

মা। একটি মাত্র শব্দ। কিন্তু দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ শব্দ এটি। শিশুর প্রথম বলতে পারা বোল। আবেগের কেন্দ্রস্থল। সম্পর্কের মাত্রা নির্ণায়ক।

মা’কে ভালোবাসে না এমন মানুষ আছে পৃথিবীতে? থাকতে পারে ! সে কী মানুষ? প্রশ্ন তোলা অবাঞ্চিত হবে কী? আমার কাছে প্রশ্ন তোলাই বাঞ্চিত মনে হয়। সৃষ্টিকর্তা পরম মমতায়। খুব সুরতে আমাদেরকে বানিয়েছেন ! সৌন্দর্য পিপাসা সেখান থেকেই। সৌন্দর্য পিয়াসীরা কখনও তুলিতে, কখনওবা কবিতা- গল্পে, আবার কখনও ঘুরতে বেড়ানোর  কাহিনীতে সৌন্দর্যকে অল্প-বিস্তর বর্ণনা করতে প্রয়াসী হন।

পৃথিবীতে আগমনের পূবমুহূর্তেই আমরা যে মানুষটাকে কষ্ট দেই। তিনি আমাদের মা। সীমাহীন কষ্ট সয়েও তিনি মুখে হাসির রেখা ফুটিয়ে তুলেন অনায়াসে। এতে কোনো কৃত্রিমতা থাকে না। থাকে না কোনো মান- অভিমান। শত যন্ত্রনা বয়েও আমাদের জম্মের আগে- পরে বেখালি হন না,  না জানি আমরা কষ্ট পাই !

স্বার্থপূজারী এই বসতভিটায় একমাত্র নিঃস্বার্থ মানুষ হিসাবে কেবল মাকেই খুঁজে পাই। মা তাঁর সমগ্র ভালোবাসা আকাশের মতো বিশালতায় উজাড় করে দিতে পারেন সন্তানের মঙ্গল কামনায়। ছোটবেলার মতোই মা সন্তানদের নিজের আঁচলে বেঁধে রাখতে চান পরম মমতায়। সবসময়ই। শুধু সন্তানদেরকেই নয়। মানুষের রক্তের বন্ধনে গড়ে ওঠা পরিবারকে আগলে রাখেন মা। মা আছে বলেই মানুষ এখনও ঘরে ফিরে। নাড়ির টানে। নয়তো কর্মচাঞ্চল্য কবেই থেমে যেত ! মা’কে দুনিয়ার তাবৎ ভালোবাসা উৎসর্গ করলেও ঋণ শোধবে না ! তবুও আমরা আমাদের প্রত্যহ জীবনে মাকেই বেশি কষ্ট দেই। যত রাগ মায়ের উপর। কেনো এমনটা? এটাও কী মায়ের প্রতি ভালোবাসা থেকেই !

যত কষ্টই দেই না কেনো মা ভালোবাসায় ফের বুকেই ঠাই দেয়। আশ্রয় দেয় আঁচলে। পৃথিবীতে এর চেয়ে নিরাপদ আশ্রয় আর কোথায় আছে ! মায়ের জন্যই হৃদয় উজাড় করা ভালোবাসা । মা ! তুমি ভালো থেকো সব সময়ই।

মলিন বদনে তোমায় বড়ই বেমানান দেখায় ! হাসিই শোভা তোমার !

মা... মা... Reviewed by বায়ান্ন on May 15, 2015 Rating: 5

No comments:

Powered by Blogger.