বিয়েঃপরিস্থিতি বিবেচনা করে বিয়ে করতে হবে।

বিয়ে করার উদ্দেশ্য সম্পর্কে আমাদের অনেকের মাঝে সঠিক ধারনাটা নেই।।আমার মতে বিয়ে করার নিদিষ্ট কোনো বয়স নেই। সেটা ২০-২৫ এর মধ্যে ও হতে পারে। ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও সামাজিক দায়বদ্ধতার কারনে অনেকেই বিয়ে করতে দেরী করে যার জন্য আমাদের সামাজিক কালচার ই দায়ী।
অনেকেই অভিভাবক ছাড়া অথবা কম বয়স এ বিয়ের ব্যাপারে মত দেন এবং এর পক্ষে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি ও সাহাবী (রা) দের কম বয়স এ বিয়ের বিষয়টা তুলে ধরেন।তাদের এই দৃষ্টিভঙ্গির ব্যপারে সম্মান রেখে বলছি তখনকার সামাজিক অবস্থানটা কি ছিল???

আমরা যদি পর্যবেক্ষন করি তাহলে দেখি সাহাবী (রা) দের সময় কম বয়সে বিয়েটা ছিল স্বাভাবিক ঘটনা।ঐ সময়কার মানুষ বিয়েকে পারিবারিক বন্ধন হিসেবে দেখত।বয়সটা তখন গুরুত্বপূর্ণ ছিল না। কিন্তু বতর্মান সমাজে কম বয়স এ বিয়েকে অন্যভাবে দেখা হয় স্পষ্টভাবে বা একটু অমার্জিত ভাষায় বলতে গেলে যৌন চাহিদাকে তারা মূখ্য বিষয় বলে মনে করে।

এছাড়া ও ডিভোর্স, বহুবিবাহ, মোহরানা সম্পর্কে ও আমরা সঠিক ধারনা পোষন করি না।
সাহাবিরা তো ডিভোর্সী নারীকে ও বিয়ে করেছেন। আমরা জাবির (রা)এর কথা বলতে পারি নবীজ়ী (সাঃ) তার জন্য দুয়া ও করেছিলেন কিন্তু আমাদের মধ্যে কয়জন পুরুষ ডিভোর্সী নারীকে বিয়ে করে তাদের ভোরন পোষন গ্রহন করতে আগ্রহী???
এই রকম ইসলামিস্ট পাওয়া খুবই মুসকিল। আমরা তো সুন্দরী ধার্মিক নারী চাই। প্রকৃতপক্ষে সাদা চামড়াটাই প্রাধান্যযোগ্য।
ঠিক একইরকম মেয়েদের বেলায় ও তারা ছেলেদের বহুবিবাহ,কম মোহরানার ব্যপারে বেশ অনাগ্রহী।

মেয়েদের অভিবাবক ছাড়া বিবাহ বৈধ নয়।এক্ষেত্রে ইসলাম অভিবাবক ব্যতিত ছেলেদের বিবাহের বৈধতা দিয়েছে কিন্তু ইসলাম এতে উৎসাহ দেয়নি। বতর্মান পরিস্থিতি চিন্তা করলে অবিবাবক ছাড়া ছেলেদের বিয়েকে মা বাবারা মেনে নিতে পারেননা। এতে করে পারিবারিক কলহ বাড়ে।
ইসলাম পরিস্থিতি বিবেচনায় কাজ করতে বলে এক্ষেত্রে আমাদের মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা উচিৎ।

পরিশেষে বলি, কম বয়সে বিয়ে করাটা ইসলাম সম্মত তবে এক্ষেত্রে আমাদের সামাজিক পরিবর্তন জরুরী।

 

বিয়েঃপরিস্থিতি বিবেচনা করে বিয়ে করতে হবে। বিয়েঃপরিস্থিতি বিবেচনা করে বিয়ে করতে হবে। Reviewed by বায়ান্ন on April 30, 2015 Rating: 5

No comments:

Powered by Blogger.